স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল
স্বাস্থ্য সচেতনতা হলো শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও অভ্যাস, যা রগ প্রতিরধ, সাস্থকর জীবনযাপন এবং সামগ্রিক জীবন মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে । এটি রোগ নিরাময়ের প্রতিরোধে বেশি জোর দেয় এবং পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে ।
আরো পড়ুন:স্বাস্থ্য সচেতনতার মূল দিক ও ভুমিকাঃ
রোগ সম্পর্কে সচেতনতা থাকলে মানুষ লক্ষন গুল দ্রুতও চিনতে পারে এবং সময় মতো
প্রতিরোধমূলক বেবস্থা নিতে পারে, যা রোগ নিরাময়ের চেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী ।
শারিরিক সুস্থতাঃ
সুষম খাদ্য গ্রহন, পর্যাপ্ত ঘুম এবং অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্যাগ করে শরীরকে সুস্থ
রাখা ।
মানসিক সুস্থতাঃ
মানসিক চাপ মোকাবেলা, সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা, প্রয়োজনে সাহায্য চাওয়া মানসিক
সুস্থতা উন্নত করে ।
পরিবেশগত সচেতনতাঃ
বিশুদ্ধ পানি, পারিপার্শ্বিক পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে পরিবেশগত
সচেতনতা বৃদ্ধি করে ।
জ্ঞানার্জনঃ
বিভিন্ন রোগ, সেগুলোর লক্ষন এবং ঝুঁকি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা, যা সঠিক সিদ্ধান্ত
নিতে সাহায্য করে ।
সামাজিক দায়বদ্ধতাঃ
স্বাস্থ্য সচেতনতা শুধু নিজেকে নয়, পরিবার ও সমাজকেও সুস্থ রাখতে উৎসাহিত করে ;
এটি একটি সামাজিক আন্দলন, যেখানে সবাই সুস্থতার অংশীদার হয় ।
রাইসা ওয়ার্ল্ডের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url