কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয় তার প্রয়োজনীয় টিপস

 

আর্টিকেল লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্কিল, যা অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই কাজে লাগে । ব্লগিং, ফ্রীলান্সিং, কন্টেন্ট মার্কেটিং কিংবা ব্যক্তিগত ব্রান্ড গড়তে, নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটার বাড়ানোর জন্য মানসম্মত আর্টিকেল লেখার বিকল্প নেই । এছাড়াও আর্টিকেল লিখার মাধ্যমে নিজের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায় । একটি ভাল আর্টিকেল পাঠকের সমস্যার সমাধান দেয় এবং বিশ্বাসযোগ্য তথ্য উপস্থাপন করে । তাই সঠিক নিয়ম ও কৌশল জানা থাকলে যে কেউ ভালো আর্টিকেল লিখতে পারে ।

পেজ সুচিপত্রঃকিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয় তার প্রয়োজনীয় টিপস

কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয় তার প্রয়োজনীয় টিপস

আর্টিকেল রাইটার হতে চাইলে অবশ্যই প্রচুর পরিমানে রিসার্চ করার মানসিকতা থাকতে হবে । রিসার্চ করতে না পারলে কখনই একটা ভালো ইনফরমেটিভ  আর্টিকেল লিখা সম্ভব নয় । যত বেশি রিসার্চ করতে পারবেন, ততো ভালো লিখতে পাড়ার দক্ষতা বাড়বে । ইন্টারনেটে  প্রত্যেকটা টপিকের উপরে হাজার হাজার আর্টিকেল, ব্লগ পোস্ট আছে, আপনি যেই বিষয়ে জানতে বা লিখতে আগ্রহী সেই বিষয়ের আর্টিকেল, ব্লগ পোস্ট পড়া শুরু করতে পারেন, এতে করে আপনি অনেক কিছু জানতে পারবেন আর কিভাবে ইন্টারেস্টিং ওয়েতে লিখতে হয় তাও জানতে পারবেন ।

ইংরেজির উপরে ভালো দখল থাকা একজন রাইটারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ । ইংরেজি শেখার জন্য যে বিষয়টা আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে তা হলো ইংলিশ মুভি, সিরিজ এসব দেখা শুরু করতে পারেন । তারপর আর্টিকেল লেখার উত্তম সময় হলো ভোরবেলা । একটা ফ্রেশ ঘুমের পর আপনার ব্রেন, মন খুবই একটিভ থাকে তাই খুব তাড়াতাড়ি আর্টিকেল লিখার আইডিয়া পাওয়া যায় । আর্টিকেল যতটা সম্ভব সিম্পল রাখতে হবে । আমরা দৈনন্দিন জীবনে যেসব শব্দ ব্যবহার করি সেগুলো দিয়ে আর্টিকেল লিখার চেষ্টা করতে হবে ।

সঠিক টপিক নির্বাচন করতে হবে

একটি ভালো আর্টিকেল লেখার প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সঠিক টপিক নির্বাচন করা । টপিক যদি যথাযথ না হয়, তাহলে লেখা যত ভালই হোক না কেন, পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে । তাই একজন সফল লেখক হতে হলে টপিক নির্বাচন করার কৌশল জানা অত্যন্ত জরুরী । নিজের আগ্রহ ও দক্ষতা কে গুরুত্ব দেওয়াটা খুব জরুরি । যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ আছে এবং যে বিষয়ে আপনি কিছুটা জানেন, সেই বিষয় নিয়ে লেখা সহজ হয় । আর সেই বিষয়ে আর্টিকেল লিখলে সেটি আরও তথ্যবহুল ও প্রানবন্ত হবে ।

পাঠকের চাহিদা অবশ্যই বুঝতে হবে । আর্টিকেল কাদের জন্য লিখা হচ্ছে তা আগে নির্ধারণ করা জরুরি । পাঠক যদি শিক্ষার্থী হয়, তাহলে সহজ ভাষায় তথ্যভিত্তিক টপিক নির্বাচন করা ভালো । আর যদি সাধারন পাঠক হয়, তাহলে দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত বিষয় বেছে নেওয়া ভালো । পাঠকের সমস্যা, প্রশ্ন বা আগ্রহের জায়গা বুঝতে পারলে সঠিক টপিক নির্বাচন করা সহজ হয় । আর তাছাড়া আপনার জ্ঞান ও গবেষণার সাথে সম্পর্কিত, ট্রেনডিঙ টপিক, মানুষের সাধারন সমস্যা বা নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্নকে কেন্দ্র করে টপিক নিলে আর্টিকেল বেশি জনপ্রিয় হয় ।

কিওয়ার্ড রিসার্চ করাটা বেশ জরুরি

বর্তমান ডিজিটাল যুগে আর্টিকেল লেখা শুধু ভালো ভাষা ও তথ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা পাঠকের কাছে পৌঁছানও সমান গুরুত্বপূর্ণ । বিশেষ করে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আর্টিকেল প্রকাশের ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড  রিসার্চ একটি অত্যন্ত জরুরী ধাপ । সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার না করলে ভালো আর্টিকেল ও সার্চ ইঞ্জিনে হারিয়ে যেতে পারে । কিওয়ার্ড  রিসার্চের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল পাঠকের চাহিদা বোঝা । কোন বিষয় নিয়ে মানুষ বেশি আগ্রহী, তারা কি ধরনের প্রশ্ন করছে- এসব জানা যায় কিওয়ার্ড রিসার্চ এর মাধ্যমে ।

এছাড়াও কিওয়ার্ড রিসার্চ লেখাকে ফোকাসড  ও গঠনমূলক করে তোলে । নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড থাকলে লেখার বিষয়বস্তু এলোমেলো হয়না এবং আর্টিকেল একটি পরিস্কার দিক নির্দেশনা পায় । এতে পাঠকও সহজে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পায় ।সুতরাং কিওয়ার্ড রিসার্চ ছাড়া অনলাইন আর্টিকেল লেখা অনেকটা লক্ষ্যহীন তীর ছোড়ার মতো । তাই একজন সচেতন ও সফল লেখক হতে চাইলে কিওয়ার্ড রিসার্চকে আর্টিকেল লেখার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত ।

আর্টিকেলের একটি আউট লাইন তৈরি করা

প্রত্যেকটা আর্টিকেলের একটি পরিষ্কার আউট লাইন তৈরি করা খুব জরুরি । আউট লাইন মানে হলো কোন অংশে কি লিখবেন তার একটি পরিকল্পনা । সাধারনত একটি আর্টিকেলের ভূমিকা, মূল অংশ এবং উপসংহার থাকে । আউট লাইন থাকলে লেখা গুলো এলোমেলো হয়না এবং পাঠক লেখাটি সহজে বুঝতে পারে । আউট লাইন থাকলে লেখার মূল বিষয় থেকে বিচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় । আর লেখার প্রতিটি অংশ পরস্পরের সাথে সুসংগতও থাকে । এতে করে পাঠক সহজে লেখার বক্তব্য বুঝতে পারে । আউট লাইন লেখককে সময় বাঁচাতে সাহায্য করে । 

আগেই ঠিক করে নেওয়া যায় কোন অংশে কি আলোচনা হবে, ফলে বারবার নতুন করে ভাবতে হয়না । এছাড়া আউট লাইন লেখার ফাঁকফোকর বা দুর্বল দিক আগেই ধরতে সাহায্য করে, যা পরবর্তীতে সংশোধন করা সহজ হয় । একটি সুগঠিত আউট লাইন লেখাকে আরও পরিস্কার, প্রাঞ্জল ও প্রভাবশালী করে তোলে । তাই মানসম্মত আর্টিকেল লেখার জন্য আউট লাইন তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । আর তাছাড়াও এটি লেখাকে সুশৃঙ্খল ও স্পষ্ট করে তোলে । আউট লাইন লেখকের চিন্তাগুলোকে সাজাতে সাহায্য করে এবং কন অংশে কি লিখতে হবে তা আগেই নির্ধারণ করে দেয় ।

আকর্ষণীয় ভূমিকা তৈরি করতে হবে

ভূমিকা হলো আর্টিকেলের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ । কারন পাঠোক এখানেই সিদ্ধান্ত নেয় - সে পড়বে নাকি ছেরে দিবে । তাই আর্টিকেলের শুরুতে একটি আকর্ষণীয় ভুমিকা থাকাটা জরুরি । ভূমিকা অংশে টপিক সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত ধারনা দেওয়া হয় এবং পাঠকের আগ্রহ তৈরি করা হয় । ভাল একটি ভূমিকা পাঠককে পুরো আর্টিকেল পড়তে উৎসাহিত করে । প্রশ্ন, বাস্তব উদাহরন বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে ভুমিকা শুরু করা যেতে পারে । অন্যদিকে ভূমিকা যদি দুর্বল বা একঘেয়ে হয়, তবে পাঠোক শুরুতেই আগ্রহ হারাতে পারে, যত ভালো তথ্যই থাকুক না কেন । 

তাই আকর্ষণীয় ভূমিকা লেখার জন্য প্রথমেই বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন, চমকপ্রদ তথ্য, সংক্ষিপ্ত গল্প বা বাস্তব উদাহরন ব্যবহার করা যেতে পারে । এতে পাঠক নিজেকে লেখার সঙ্গে যুক্ত মনে করে । পাশাপাশি ভূমিকার ভাষা হওয়া উচিত সহজ, স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল, যাতে সব ধরনের পাঠক সহজেই বুঝতে পারে । অতিরিক্ত জটিল শব্দ বা অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা ভূমিকার আকর্ষণ নষ্ট করে । একটি ভাল ভূমিকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আর্টিকেলের মূল বিষয় সম্পর্কে হালকা ধারনা দেওয়া । এতে পাঠক বুঝতে পারে সামনে কি জানতে যাচ্ছে । তবে পুরো আলোচনা ভুমিকার মধ্যেই  বলে দেওয়া উচিত নয় বরং আগ্রহ ধরে রাখাই মূল লক্ষ্য । 

মূল কন্টেন্ট লিখতে হবে

আর্টিকেল লেখার সময় ভূমিকার পরে আসে আর্টিকেলের মূল অংশ । এই অংশে টপিক অনুযায়ী বিস্তারিত আলোচনা করা হয় । প্রতিটি প্যারায় একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা বলা উচিত যাতে লেখা পরিস্কার থাকে । সহজ ভাষায় উদাহরন লিখলে পাঠকের বোঝা সহজ হয় এবং আরটিকেল বেশি কার্যকর হয় । ভূমিকা পাঠকের আগ্রহ তৈরি করে এবং উপসংহার বিষয়টি সংক্ষেপে গুছিয়ে দেয়, কিন্তু মূল অংশই আর্টিকেলের প্রান । এই অংশের মাধ্যমেই লেখক তার জ্ঞান, বিশ্লেষণ ও যুক্তি পাঠকের সামনে তুলে ধরে । মূল অংশ লেখার সময় প্রথমেই একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন ।

সাধারনত আউট লাইন এর ভিত্তিতে বিষয়টিকে উপশিরোনামে ভাগ করে আলোচনা করা হয় । এতে লেখা সাজানো থাকে এবং পাঠকের জন্য বুঝতে সহজ হয় । প্রতিটি অনুচ্ছেদে একটি নির্দিষ্ট ধারনা বা তথ্য উপস্থাপন করা উচিত এবং সেটিকে উদাহরন, ব্যাখ্যা বা তথ্য দিয়ে সমর্থন করা প্রয়োজন । ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা জরুরি । মূল অংশে ভাষা হওয়া উচিত স্পষ্ট, প্রাঞ্জল ও যুক্তিনির্ভর । অতিরিক্ত কঠিন শব্দ বা দীর্ঘ বাক্য পাঠকের মনোযোগ নষ্ট করতে পারে । পাশাপাশি তথ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে এক অণুচ্ছেদ থেকে অন্য অনুচ্ছেদে যাওয়ার সময় লেখাটি বিচ্ছিন্ন মনে না হয় ।

SEO- ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে হবে

আর্টিকেল লেখার সময় SEO ফ্রেন্ডলি  আর্টিকেল লেখা বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জন্য । SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল এমন ভাবে লেখা হয়, যাতে সার্চ ইঞ্জিন সহজে বিষয়বস্তু  বুঝতে পারে এবং সার্চ রেজাল্টে আর্টিকেলটি ভালো অবস্থানে দেখায় । এর ফলে আর্টিকেলের ভিজিটার বাড়ে এবং পাঠকের কাছে পৌঁছানও সহজ হয় । SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার প্রথম শর্ত হলো সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন । পাঠক সাধারনত যে শব্দ বা বাক্য লিখে সার্চ দেয়, সেই কিওয়ার্ড গুলো স্বাভাবিকভাবে আর্টিকেলের শিরোনাম, ভূমিকা এবং মূল অংশে ব্যবহার করতে হয় । তবে অতিরিক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করা ঠিক না ।

অতিরিক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করলে লেখা অস্বাভাবিক হয়ে যায়, যা SEO এর জন্য ক্ষতিকর । তাই কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে পরিমিত ও প্রাসঙ্গিক । আর্টিকেলের গঠন ও SEO এর ক্ষেতরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । স্পষ্ট শিরোনাম, উপশিরোনাম এবং ছোটো অনুচ্ছেদ ব্যবহার করলে সার্চ ইঞ্জিন ও পাঠোক- দুজনের জন্যই আর্টিকেল সহজ বোধ্য হয় । পাশাপাশি তথ্য সমৃদ্ধ ও মৌলিক কন্টেন্ট SEO-এর জন্য সবচেয়ে কার্যকর, কারণ সার্চ ইঞ্জিন নকল বা নিম্নমানের লেখা পছন্দ করেনা । সুতরাং SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখা মানে শুধু সার্চ ইঞ্জিনকে খুশি করা নয়, বরং পাঠকের প্রয়োজন ও আগ্রহকে গুরুত্ব দেওয়া ।

হেডিং ও সাব-হেডিং ব্যবহার করতে হবে

একটি ভালো আর্টিকেলে হেডিং ও সাব হেডিং ব্যবহার করা উচিত । এতে করে লেখা দেখতে সুন্দর হয় এবং সহজে গুরুত্বপূর্ণ অংশ খুঁজে পাওয়া যায় । বিশেষ করে অনলাইন আর্টিকেলের ক্ষেত্রে হেডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । হেডিং এমন হতে হবে যা মূল বিষয়কে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে । এগুলো লেখার কাঠামো স্পষ্ট করে এবং পাঠককে বিষয়বস্তু বুঝতে সাহায্য করে । হেডিং মূলত আর্টিকেলের প্রধান বিষয় বা অধ্যায়কে নির্দেশ করে । একটি ভালো হেডিং পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং তাকে জানিয়ে দেয় পরবর্তী অংশে কি আলোচনা করা হবে । হেডিং না থাকলে আর্টিকেল দীর্ঘ ও একঘেয়ে হতে পারে, ফলে পাঠক আগ্রহ হারাতে পারে ।

সাবহেডিং  হেডিং এর ভিতরের ছোটো ছোটো অংশকে ভাগ করে । এতে জটিল বিষয় গুলো সহজভাবে উপস্থাপন করা যায় । প্রতিটি সাব হেডিং নির্দিষ্ট একটি দিক তুলে ধরে,  ফলে পাঠক দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পায় । বিশেষ করে অনলাইন আর্টিকেলে সাবহেডিং পাঠ যোগ্যতা অনেক বাড়িয়ে দেয় । হেডিং ও সাবহেডিং ব্যবহার করলে আর্টিকেলের কাঠামো পরিস্কার হয় । অনুচ্ছেদগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো যায় এবং লেখার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে । তাই একটি মানসম্মত আর্টিকেল লেখার জন্য হেডিং ও সাবহেডিং অপরিহার্য । এগুলো শুধু লেখাকে সুন্দর করে না, বরং পাঠকের জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে তোলে ।
নিজের ভাষা ও অভিজ্ঞতা যোগ করতে হবে
একটি ভালো আর্টিকেল শুধু তথ্যের সমষ্টি নয়, বরং লেখকের চিন্তা, অনুভুতি ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন । আর্টিকেল লেখার সময় নিজের ভাষা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা যোগ করলে লেখা আরও প্রানবন্ত, বিশাসযজ্ঞ ও পাঠকবান্ধব হয়ে ওঠে । 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রাইসা ওয়ার্ল্ডের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Mst Rasida Islam
Mst Rasida Islam
আমি রাইসা ওয়ার্ল্ড ব্লগের অ্যাডমিন। আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট। আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি।